কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ টিকে থাকার জন্য জামায়াতের কৌশল অনুসরণ করছে?

দৈনিক বণিক বার্তার প্রথম পাতার খবর ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ টিকে থাকার জন্য জামায়াতের কৌশল অনুসরণ করছে?’। খবরে বলা হয়, জুলাই-আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে সরকার। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলটির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে একই অভিযোগে বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে এসবের মধ্যেও বেশ কিছুদিন ধরে নিয়মিতভাবে মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করছে দলটির সমর্থকরা। বিশ্লেষকরা বলছেন, শেখ হাসিনার আমলে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যেভাবে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে এসেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে পদ্ধতিগতভাবে সে একই কৌশলে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে আওয়ামী লীগ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজপথে শক্ত অবস্থান জানান দিতে নিয়মিত মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়গুলো গোপনীয়ভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। কোথায় কখন কর্মসূচিগুলো করা হবে সেটি নেতাকর্মীদের স্বল্প সময়ের ব্যবধানে জানানো হচ্ছে। এছাড়া দেশব্যাপী দলীয় নেতাকর্মীদের ডাটাবেজ তৈরি ও সে অনুযায়ী তাদের সক্রিয় করার কার্যক্রম শুরু করেছে দলটি। দেশের ভেতরে আত্মগোপনে থাকা আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের দায়িত্বশীল নেতারা এটি সমন্বয় করছেন। তবে এসব নির্দেশনা আসছে দেশের বাইরে থেকে।

রাজধানীর শ্যামলীর শিশু মেলার সামনে এবং মতিঝিলে গতকাল ঝটিকা মিছিল করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এর আগে গত শনিবার আগারগাঁওয়ের বেতার ভবনের সামনে থেকে বের করে মেট্রোরেল স্টেশন পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করে। গত শুক্রবার বাংলামোটর ও গুলশান এলাকায় ঝটিকা মিছিল করেন দলটির নেতাকর্মীরা। গত বৃহস্পতিবারও মিরপুর ও দারুস সালাম এলাকায় ঝটিকা মিছিল করে। গত এক মাসে রাজধানী ঢাকায় বেশ কয়েকটি বড় মিছিলও করেছে দলটি। এসব মিছিলে অংশ নেয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক দায়িত্বশীল নেতা বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বৈরী পরিস্থিতির কারণে ঝটিকা আকারে আমাদের মিছিলগুলো করতে হচ্ছে। আমরা নিজেদের জীবন বাজি রেখে রাজনীতি করছি। যতটুকু পারা যায় নিরাপদ থেকে কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেয়া হচ্ছে।’

আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশল প্রসঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দলটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সরকারের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আওয়ামী লীগ নিধন করা। তারা সে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আদালত চত্বরে মব সৃষ্টির মাধ্যমে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। এমন তীব্র প্রতিকূল অবস্থায় আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করতে হচ্ছে। সারা দেশে কয়েক কোটি নেতাকর্মী ও সমর্থককে পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের বর্তমান সময়ের রাজনীতির সঙ্গে অন্য কোনো দল বা সময়কে মেলানো যাবে না।’

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দমন-পীড়নের মুখে জামায়াতে ইসলামীও নিজেদের সংগঠন টিকিয়ে রাখতে নানা কৌশল অবলম্বন করেছিল। তাদের অন্যতম কৌশল ছিল ঝটিকা মিছিলে হঠাৎ করে কয়েক ডজন বা কয়েকশ কর্মী একটি স্থানে জড়ো হয়ে সংক্ষিপ্ত মিছিল বের করা। স্লোগান দিয়ে কয়েক মিনিটের মধ্যেই সটকে পড়ত তারা। এতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে ধরপাকড় করাও কঠিন হয়ে পড়ত। এছাড়া দলটি সংগঠনের ভেতরে একটি শক্তিশালী যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিল, যাতে বিভিন্ন এলাকায় ছোট ছোট দলে বিভক্ত করে নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখা হতো। জামায়াতও তখন ডাটাবেজভিত্তিক সাংগঠনিক কাঠামোয় জোর দিয়েছিল। কোথায় কোন স্তরের নেতা বা কর্মী আছেন, কাকে কোন পরিস্থিতিতে সক্রিয় করা যাবে—এসব কৌশল ব্যবহার করে দলটি মাঠে টিকে থাকার চেষ্টা চালিয়ে যায়। রাজনীতিসংশ্লিষ্টদের মতে, আওয়ামী লীগও এখন অনেকটা একইভাবে ঝটিকা মিছিল, গোপন নির্দেশনা ও ছোট পরিসরে সক্রিয়তা থাকার কৌশল অবলম্বন করছে।

এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বণিক বার্তাকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটা ষড়যন্ত্র করছে, জনগণ সেটা মেনে নেবে না। এটা দেখার দায়িত্ব সরকারের।’ বিগত সময়ে জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে গুপ্ত রাজনীতি করার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যারা অভিযোগ করেন তারাই ব্যাখ্যাটা দিতে পারবেন। আমরা এটা বলিনি।’

রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ পদ্ধতিগতভাবে জামায়াতের পূর্ববর্তী কৌশল অবলম্বন করছে কিনা জানতে চাইলে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বণিক বার্তাকে বলেন, ‘জামায়াত বিগত সময়ে তার টিকে থাকার রাজনীতি করেছে। এখন আওয়ামী লীগ তার টিকে থাকার রাজনীতি করছে। তবে আওয়ামী লীগ সম্প্রতি যে মিছিলগুলো করেছে সেগুলো বেশ বড়। সেটি গোপন বা গুপ্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি বলে মনে হয়নি।’

আওয়ামী লীগের বর্তমান রাজনৈতিক কৌশল কোনো বিদেশী শক্তির ইন্ধনে হতে পারে বলে ধারণা করছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ইউনুস আহমদ। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘এখন দেখা যাচ্ছে যে আওয়ামী লীগ সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। এখানে নিজের স্বতন্ত্র কোনো কৌশল থাকতে পারে, আবার বিদেশীদের ইন্ধন থাকতে পারে। তবে তারা জামায়াতের কৌশল অবলম্বন করছে নাকি নিজেদের কৌশলে এগোচ্ছে—এটা এখনই বলা যাবে না। তারা যে সক্রিয় হচ্ছে এটা তো দৃশ্যমান।’

প্রথম আলো

‘গরমে ক্ষতি ২১ হাজার কোটি টাকা’-বাংলাদেশে গত বছরের (২০২৪) এপ্রিল মাসে টানা যত দিন তাপপ্রবাহ হয়েছে, আগের ৭৬ বছরে তা হয়নি। তবে এটা যে হঠাৎ করে হয়েছে, তা নয়। গত প্রায় চার দশকে বাংলাদেশে গড় তাপমাত্রা বেড়েছে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। ঢাকায় তাপমাত্রা বেড়েছে তার চেয়েও বেশি হারে। বাংলাদেশ বৈশ্বিকভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এখন দ্বিতীয় অবস্থানে। এই ক্রমাগত তাপ বৃদ্ধির প্রভাব পড়ছে মানুষের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর।

বিশ্বব্যাংকের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গরমে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য—এ দুইয়ের ক্ষতির ফলে গত বছর বাংলাদেশের মানুষের ২৫ কোটি কর্মদিবস নষ্ট হয়েছে। দেশের ২১ হাজার কোটি টাকার মতো আর্থিক ক্ষতি হয়েছে; যা বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) শূন্য দশমিক ৪ ভাগ।

‘অ্যান আনসাসটেইনেবল লাইফ: দ্য ইমপ্যাক্ট অব হিট অন হেলথ অ্যান্ড দ্য ইকোনমি অব বাংলাদেশ’ শিরোনামের এ গবেষণায় ১৯৮০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এ ছাড়া দুই দফায় একটি বড় জরিপ করা হয়েছে ২০২৪ সালে। জরিপে ১৬ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন।

দেখা গেছে, গরমের প্রভাব ধনীদের চেয়ে দরিদ্র মানুষের ওপর বেশি পড়ে। তাদের কর্মদিবস বেশি নষ্ট হয়। এতে আর্থিক ক্ষতিও হয় বেশি। আবার কম বয়সীদের তুলনায় বেশি বয়সীদের ওপর গরমের প্রভাব বেশি। গবেষণায় উঠে এসেছে, তাপ যত বাড়ে, মানুষের মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতাও বেড়ে যায়।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক অনুষ্ঠানে গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, ‘গবেষণাটি তাৎপর্যপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত তাপমাত্রা বৃদ্ধি বাংলাদেশের সমাজ ও অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে, এটা আমাদের জানা তথ্য। বিশ্বব্যাংকের এই প্রতিবেদন আমাদের সেই জানা বিষয়কে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি দিল।’

যুগান্তর

দৈনিক যুগান্তরের প্রধান শিরোনাম ‘তফশিলের আগেই ৭০% প্রার্থী ঘোষণার প্রস্তুতি’। খবরে বলা হয়, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ভিন্ন কৌশলে এগোচ্ছে বিএনপি। তফশিলের আগেই ৩০০টির মধ্যে অন্তত ৭০ শতাংশ আসনে একক প্রার্থী চূড়ান্ত করে ঘোষণা দেওয়ার প্রাথমিক প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে প্রয়োজনীয় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট নেতাদের। তারা সম্ভাব্য প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের কাজ শুরু করেছেন। নানা উইং থেকে তুলে আনা হচ্ছে আসনভিত্তিক মাঠের প্রকৃত চিত্র। বিএনপির একাধিক শীর্ষ নীতিনির্ধারকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে এসব তথ্য।

এদিকে সোমবার রাতে সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে জনসম্পৃক্ত নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভোটারদের ‘ডোর টু ডোর’ যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সেখানে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রূপরেখা ৩১ দফাসহ বিগত দিনে বিএনপি সরকার আমলের ইতিবাচক পদক্ষেপ এবং আগামী দিনের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হবে। এর মাধ্যমে সারা দেশে নির্বাচনি ঢেউ তুলতে চাইছে দলটি। এটি সফল করতে সারা দেশের নেতাকর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

তফশিলের আগে একক প্রার্থী চূড়ান্তের বিষয়টি বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা যুগান্তরের কাছে স্বীকার করেছেন। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা জানান, এবারের প্রেক্ষাপট একটু ভিন্ন। এজন্য দলের সিদ্ধান্তেও নানা পরিবর্তন আসবে। নানা হিসাবনিকাশ শেষেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এবার আগেই আসনভিত্তিক একক প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। একক প্রার্থীর নেতৃত্বে দলীয় অবস্থান সুসংহত করা এবং জনগণের আরও কাছে পৌঁছানোর চেষ্টার অংশ হিসাবেই এটি করার পরিকল্পনা হচ্ছে। এর কারণ হিসাবে নেতারা জানান, তফশিলের পর একক প্রার্থী ঘোষণা করলে আসনভিত্তিক নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে। কারণ ২০১৪ ও ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করা হয়েছিল। আবার ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে দিনের ভোট রাতে হয়। তাই বলাই যায়, দীর্ঘ ১৫ বছর নির্বাচন থেকে দূরে থাকা এবং আওয়ামী লীগের নির্যাতন-নিপীড়নের কারণে ভোটকেন্দ্রিক দৌড়ঝাঁপ হয়নি। যে কারণে এবার প্রতিটি আসনে বিএনপির বহু প্রার্থী নির্বাচন করার জন্য মনোনয়ন চাইবেন, এটাই স্বাভাবিক। এ নিয়ে ভোটের আগমুহূর্তে নানা দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিং সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে। যার প্রভাব দল ও ভোটের মাঠে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই ধারণা থেকেই মূলত তফশিলের আগেই বেশির ভাগ আসনে একক প্রার্থী ঘোষণার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এতে আসনভিত্তিক যারা মনোনয়নপ্রত্যাশী, তারা ঐক্যবদ্ধভাবে একক প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেবেন-এমন প্রত্যাশা নীতিনির্ধারকদের।

কালের কণ্ঠ

‘খুলছে না জুলাই সনদের জট’-এটি দৈনিক কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরেছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত ১১ সেপ্টেম্বর বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের কোনো বিকল্প আমাদের হাতে নেই।’ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব গত ৭ সেপ্টেম্বর বলেন, ‘নির্বাচন যে করেই হোক ফেব্রুয়ারির (২০২৬ সালের) প্রথমার্ধেই হবে। পৃথিবীর কোনো শক্তি নেই যে এই নির্বাচন ঠেকাতে পারে।’

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ গত ১৩ সেপ্টেম্বর বলেন, ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন না হলে বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হবে। দেশের আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞরাও দেশকে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষার জন্য দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের তাগিদ দিয়ে আসছেন। এ বিষয়ে চব্বিশের গণ-আন্দোলনের পক্ষের রাজনৈতিক দলগুলোও একমত। ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানে দলগুলোর আপত্তি নেই।

কিন্তু তার পরও দেশের বিরোধপূর্ণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে ঘোষিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিশ্চয়তা নিয়ে সংশয় কাটছে না। রাজনীতিবিদদের একাংশের ধারণা, রাজনৈতিক দলগুলোর মতবিরোধ দূর না হলে দেশে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হবে। বিদ্যমান সামাজিক নৈরাজ্য রাজনৈতিক নৈরাজ্যে রূপ নিতে পারে, যার প্রভাবে দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা বিপর্যস্ত হবে। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এই ধারণা পোষণকারীদের মধ্যে একজন।

জটিলতা দেখা দিয়েছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে তার অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে। এ ছাড়া জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং সংসদ নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক বা পিআর পদ্ধতি চালুর দাবি নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত। এসব দাবিতে জামায়াতে ইসলামীসহ চারটি ইসলামী দল এরই মধ্যে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। আরো কয়েকটি দল এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে বলে প্রচার রয়েছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে একযোগে এই আন্দোলন শুরু হতে যাচ্ছে।

ইত্তেফাক

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রধান শিরোনাম ‘জ্বলছে গাজা, মরছে মানুষ’। খবরে বলা হয়,ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় বড় ধরনের স্থল অভিযান চালিয়েছে ইসরাইল। শত শত ট্যাংক ও সেনা গাজায় প্রবেশ করছে। এতদিন আকাশপথে কিংবা গাজা শহরের সামান্য ভেতরে প্রবেশ করে হামলা চালিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর দেশ। কিন্তু এই প্রথম পুরোপুরি স্থল অভিযানের পথ বেছে নিল নেতানিয়াহুর বাহিনী। একের পর এক সুউচ্চ ভবন ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। বিমান হামলায় জ্বলছে ভবনগুলো। বাসিন্দাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য করছে। হামলায় ৭৮ জনের নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এদিকে জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজায় ইসরাইল গণহত্যা চালাচ্ছে। এর প্রমাণও পাওয়া গেছে।

বড় ধরনের স্থল অভিযান

গাজা ভূখণ্ডের আরো ভেতরে প্রবেশ করেছে ইসরাইলি বাহিনী। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে নির্মূল করতে এই হামলা চালানো হচ্ছে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। তিনি জানিয়েছেন, গাজায় আরো জোরালো অভিযান শুরু হয়েছে। গাজা শহরের বাসিন্দাদের এলাকা ছেড়ে দক্ষিণের দিকে সরে যেতে বলেছে ইসরাইলি বাহিনী। বাস্তবে গত কয়েক মাস ধরেই গাজাবাসীকে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার কথা বলে আসছে ইসরাইলি বাহিনী। গাধার গাড়ি, রিকশা অথবা পায়ে হেঁটে বিপুল সংখ্যায় ফিলিস্তিনিদের শহরের দক্ষিণ দিকে ছুটে যেতে দেখা গেছে।

ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বা আইডিএফের অনুমান, ইতিমধ্যেই প্রায় সাড়ে ৩ লাখ মানুষ গাজা শহর ছেড়ে পালিয়ে গেছে। যদিও ধারণা করা হচ্ছে যে, এই সংখ্যা আরো কয়েক গুণ বেশি। অনেক ফিলিস্তিনি বলছেন যে, দক্ষিণ এবং মধ্য গাজাও নিরাপদ নয় কারণ সেখানেও বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। আবার কেউ কেউ জানিয়েছেন, দক্ষিণে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু তাঁবু খাটানোর জায়গা পাননি, তাই তারা গাজা শহরে আবারও ফিরে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, হামাসের শেষ প্রধান দুর্গের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী অভিযান শুরু করা হয়েছে।

যদিও এই আক্রমণকে সম্পূর্ণ এবং সম্পূর্ণরূপে অগ্রহণযোগ্য বলে নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক। কিন্তু ইসরাইল হামলা বন্ধ রাখেনি। হামলা করে হলেও বাসিন্দাদের সরে যেতে বাধ্য করছে। সোমবার রাত থেকে গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় প্রাণ গেছে ৭৮ জনের। গতকাল সকালে ইসরাইল সরকারের আরবি ভাষার মুখপাত্র আভিচে আদ্রে জানিয়েছেন, গাজায় অভিযান আরো বিস্তৃত করছেন তারা।

নয়া দিগন্ত

‘উপসাগরীয় যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত’-এটি দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি) তাদের যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত সোমবার কাতারের রাজধানী দোহায় অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে জিসিসি নেতারা এ ঘোষণা দেন। গত সপ্তাহে দোহায় হামাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে ইসরাইলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কাতার ‘ঐক্যবদ্ধ’ পদক্ষেপের আহ্বান জানানোর পরই এ সিদ্ধান্ত এলো। মিডল ইস্ট আই।

দোহা সম্মেলনে মুসলিম ও আরব বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হাম্মাদ আলে-সানি তার উদ্বোধনী ভাষণে ইসরাইলি হামলাকে ‘প্রকাশ্য, বিশ্বাসঘাতক ও কাপুরুষোচিত’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানান। তিনি ইসরাইল সরকারের ‘ক্ষমতা, অহঙ্কার ও রক্তপিপাসু উন্মাদনার’ বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ; নেয়ার জন্য তার সমকক্ষদের প্রতি আহ্বান জানান।

আজকের পত্রিকা

‘ভোটের মাঠে জোটের আলাপ’-এটি দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়,ঘোষণা অনুযায়ী পাঁচ মাস পর আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। সে হিসাবে ভোটের তফসিল ঘোষণার সময় হাতে আছে আর মাত্র তিন-সাড়ে তিন মাস। কিন্তু জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও ভোটের পদ্ধতিসহ কিছু বিষয় নিয়ে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো এখন পরিষ্কার দুই ধারায় বিভক্ত। এ বিষয়ে আলোচনা ও দর-কষাকষির মধ্যে একই দাবি ও কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীসহ তিনটি দল।

ভোটের মাঠে তাই হঠাৎ করে চাঙা হয়েছে জোটের আলাপ। তবে কি দলগুলো সমমনাদের সঙ্গে নিয়ে শক্তি বাড়াতে চাইছে? ভোট সামনে রেখে দলগুলো কি জোট গড়ার চেষ্টায় আছে?

গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগবিহীন ভোটের মাঠে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে প্রধান দল হয়ে উঠেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মূলত এই তিন দলকেই ভোটের মাঠের প্রধান শক্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে, আর নির্বাচনী জোটের আলাপও ঘুরছে তাদের কেন্দ্র করে।

বিগত সরকারের সময় সমমনা দলগুলোকে নিয়ে যুগপৎ আন্দোলনে ছিল বিএনপি। সেই দলগুলোকে নিয়ে এখনো এক ছাতার নিচেই আছে দলটি। পাশাপাশি অন্য আরও দলকে কীভাবে এই ছাতার নিচে আনা যায়, সে নিয়ে ভেতরে-ভেতরে চেষ্টা চলছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

একইভাবে জামায়াতে ইসলামীও তাদের সমমনাদের সঙ্গে নিয়ে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে। তবে নির্বাচন ঘিরে দলগুলোর সম্মিলিত যাত্রা জোট-মোর্চায় গড়াবে নাকি, অন্য কোনো কাঠামোয় রূপ নেবে, তা এখনো ঠিক হয়নি বলে জানিয়েছেন দলগুলোর নেতারা।

দেশ রূপান্তর

দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতার খবর ‘নির্বাচনের আগে ঘরে ঘরে যাবে বিএনপি’। প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে জনসম্পৃক্ত নানা কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় যাওয়ার চিন্তা করছে বিএনপি। আগামী দিনগুলোতে নির্বাচনের মাঠে কীভাবে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করা যায় এবং জনগণকে কীভাবে নির্বাচনমুখী করা যায়, সেটিই এখন দলটির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। বিএনপির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে যে নানামুখী অপপ্রচার চলছে, সেটি আমলে নিয়ে এবং জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দলের রাজনৈতিক কর্মসূচির প্রেক্ষিতে এ ধরনের কর্মসূচি হাতে নিতে যাচ্ছে দলটি।

গত সোমবার রাতে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ ধরনের আলোচনা হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতি চালু এবং জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ কয়েকটি অভিন্ন দাবিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে মাঠে নামছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টিসহ (জাগপা) কয়েকটি দল। প্রাথমিকভাবে দলগুলো ঢাকাসহ দেশব্যাপী তিন দিনের বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে। এরপর নতুন কর্মসূচি দেবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে।

বিএনপি মনে করছে, দলগুলোর এ কর্মসূচি রাজনৈতিক। এটিকে নির্বাচনের বিষয়ে নিজেদের দলীয় দাবি-দাওয়া আদায় করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের একটা কৌশল। বিএনপিও নিজস্ব কর্মসূচির চিন্তা করছে। জনগণের সম্পৃক্ততামূলক কর্মসূচি নিয়ে তারাও মাঠে নামতে চায়।

বাংলাদেশ প্রতিদিন

‘রাজনীতিতে উত্তাপ চায় না বিএনপি’-এটি দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের প্রধান শিরোনাম। খবরে বলা হয়, সরকার ঘোষিত সময়ানুযায়ী ফেব্রুয়ারিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এ মুহূর্তে রাজনীতির মাঠে কোনো ধরনের অস্থিরতা বা উত্তাপ সৃষ্টি করতে চায় না বিএনপি। দলটির দায়িত্বশীলরা বলছেন, ইস্যু তৈরি করে একটি মহল দেশ অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে। দেশের জনগণ ও গণতন্ত্রের স্বার্থে এ অবস্থায় সর্বোচ্চ ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা ও জনগণের আস্থা অর্জনকেই প্রাধান্য দেবে। পাশাপাশি ফেব্রুয়ারি নির্বাচন সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে সরকারকেও সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। এ ছাড়া জামায়াতসহ কয়েকটি ইসলামি দল নানা দাবিতে যুগপৎ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এসব কর্মসূচির দিকে বিশেষ নজর রাখবে বিএনপি। বিএনপির সর্বশেষ স্থায়ী কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দলের স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া রাজপথে কর্মসূচি দেওয়া মানেই গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত করা। জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, ‘গণ অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দ্রুত নির্বাচন না হলে দেশে বিভক্তি ও সংঘাতের শঙ্কা থেকে যায়। বিএনপি সেই পরিস্থিতি চায় না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তন।’

বিএনপির দলীয় সূত্র জানান, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নির্বাচনকে বিএনপিও উৎসবমুখর ও ইতিহাসের সেরা নির্বাচন হিসেবে দেখতে চায়। বৈঠকে ব্যবসাবাণিজ্য, জনজীবন ও সামগ্রিক অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে এমন কোনো কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার কৌশল নিয়েছে দলটি। একই সঙ্গে সরকারকে সব ধরনের সহযোগিতা করার পাশাপাশি নেতা-কর্মীদের জনগণের পাশে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনে সাক্ষাৎ করে দেশে এসে বিরাট নেতা বনে যাওয়ার ভাব করা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের সাক্ষাতের বিষয়েও বৈঠকে বিশদ আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের নেতৃত্বে প্রস্তাবিত জুলাই জাতীয় সনদকে তারা ইতিবাচকভাবে দেখছে। দলটি এ বিষয়ে প্রায় ৪০ পৃষ্ঠার একটি প্রস্তাব তৈরি করেছে। সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন এমন ধারাগুলো সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভাবছে বিএনপি। (মিসবাহ উদ্দিন)