অবশেষে ১৬ বছরের অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে হ্যারি কেইনের। এত লম্বা ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত কোনো শিরোপা ছুঁয়ে দেখা হয়নি এই ইংলিশ স্ট্রাইকারের। শিরোপার হাতছানিতে শনিবার জার্মান বুন্ডেসলিগার ম্যাচে আরবি লাইপজিগের মাঠে শুরুতেই দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে বায়ার্ন মিউনিখ। বিরতির পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে এগিয়েও যায় বাভারিয়ানরা। তবে স্বাগতিকদের যোগ করা সময়ের গোলে শিরোপা উল্লাস পন্ড হয় কেইনের দলের। নিষেধাজ্ঞার কারণে গ্যালারিতে বসে দলের ৩-৩ গোলের ড্র দেখা ছাড়া আর কিছু করারও ছিল না কেইনের।
কপালটা আগেই পোড়ে বায়ার্ন ফরোয়ার্ডের। কার্ডের নিষেধাজ্ঞায় মাঠে নামতে পারেননি কেইন। গতকাল সম্ভব্য শিরোপা জয়ের দিন থাকতে হয়েছে দর্শক হিসেবেই। তবে কেইনকে সেই সুখের সংবাদ এনে দিতে পারেনি বায়ার্ন। লাইপজিগের মাঠে একাদশ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে সফরকারীরা। বিরতির বাঁশি বাজার আগে স্কোরলাইন ২-০ করেন লুকাস ক্লস্টারম্যান। তবে মাঠে ফিরে টানা আক্রমণে দুই মিনিটের ব্যবধানে দুই গোলে ম্যাচে ফেরে ভিনসেন্ট কোম্পানির শিষ্যরা। ৬২ ও ৬৩তম মিনিটে গোল দু’টি করেন এরিক ডায়ার ও মাইকেল ওলিসে। ৮৩তম মিনিটে লেরয় সানের গোলের পর ক্যামেরা সরাসরি ঘুরে যায় গ্যালারিতে থাকা হ্যারি কেইনের দিকে, তার হাস্যোজ্জ্বল চেহারা ভেসে ওঠে টিভি ক্যামেরায়। এর আগে এক-এক করে ছয়টি ফাইনাল খেলেও যে কখনও শিরোপা হাতে নিয়ে দেখা হয়নি তার। তবে যোগ করা চতুর্থ মিনিটে সে আশায় গুড়ে বালি ঢেলে দেন ইউসুফ পুলসেন। ৩-৩ গোলে শেষ হয় ম্যাচ। কেইন আর বায়ার্ন মিউনিখের আনুষ্ঠানিক শিরোপা জয়ের অপেক্ষা বাড়লো আরেকটু।এই ড্রয়ের পর ৩২ ম্যাচে বায়ার্নের পয়েন্ট ৭৬। এক ম্যাচ কম খেলে দুইয়ে থাকা লেভারকুসেনের পয়েন্ট ৬৭। বাকি ৩ ম্যাচে টানা জয় তুলে নিলেও তাদের পয়েন্ট দাঁড়াবে ৭৬। সুতরাং নিজেদের বাকি দুই ম্যাচে বায়ার্ন হারলেও শিরোপা জেতা হবে না লেভারকুসেনের। কেননা বায়ার্নের সঙ্গে তাদের গোল ব্যবধান ৩০, যেখানে এগিয়ে যাওয়া এক প্রকার অসম্ভব। তাই এখন কেইন কিংবা বায়ার্নের শিরোপা উল্লাস শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার। (মাহফুজুল ইসলাম)
শিরোপার অপেক্ষা বেড়েই চলছে কেইনের



